অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম থেকে কমিশন উপার্জনের কৌশল

বাংলাদেশে ডিজিটাল আইগেমিং এবং অনলাইন স্পোর্টসবুক ট্রেডিং মার্কেটের দ্রুত প্রসারের সাথে সাথে প্যাসিভ ইনকামের একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে গড়ে উঠেছে রিভিনিউ শেয়ারিং পার্টনারশিপ মডেল। আপনি যদি আপনার নিজস্ব ট্রাফিক, সোশ্যাল মিডিয়া কভারেজ অথবা ডিজিটাল মার্কেটিং দক্ষতা কাজে লাগিয়ে দীর্ঘমেয়াদী আয়ের চ্যানেল তৈরি করতে চান, তবে TK1971 প্ল্যাটফর্মের ট্রেডিং ও ক্যাসিনো ইকোসিস্টেম সেরা সুযোগ প্রদান করছে। আমাদের ট্রেডিং ডেস্ক সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ট্র্যাকিং ব্যবস্থা, সময়মতো পেআউট এবং সর্বোচ্চ শতাংশ রেভিনিউ শেয়ারের মাধ্যমে গ্লোবাল পার্টনারদের সাথে কাজ করে থাকে। সঠিক মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি এবং টেকনিক্যাল অ্যানালিটিক্স ব্যবহার করে কীভাবে আপনার রেফারেল ট্রাফিককে কনভার্ট করবেন এবং প্রতি মাসে ধারাবাহিক লাভ অর্জন করবেন, তা নিয়েই এই নির্দেশিকা সাজানো হয়েছে।

TK1971 প্ল্যাটফর্মে অনলাইন পার্টনারশিপের সুযোগ ও ডিজিটাল মার্কেটিং আর্কিটেকচার

ডিজিটাল পার্টনারশিপের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের ক্ষেত্রে আধুনিক আইগেমিং প্ল্যাটফর্মগুলো বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক সুযোগ উন্মোচন করেছে। আপনি যখন একটি প্রতিষ্ঠিত স্পোর্টসবুক ও ক্যাসিনো ব্র্যান্ডের সাথে কাজ শুরু করেন, তখন মূলত সেই প্ল্যাটফর্মের ব্যাকএন্ড ট্রেডিং প্রযুক্তি এবং লিকুইডিটির অংশীদার হয়ে ওঠেন। বাংলাদেশে স্পোর্টস বেটিং এবং অনলাইন গেমিং ট্রাফিকের বার্ষিক বৃদ্ধি বিশ্বমানের অন্যান্য উদীয়মান বাজারকে পেছনে ফেলেছে। এই বিশাল প্লেয়ার বেসকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটাররা দীর্ঘমেয়াদী প্যাসিভ ইনকাম নিশ্চিত করতে পারছেন।

কমিশন মডেলের গাণিতিক হিসাব এবং নেট রেভিনিউ শেয়ারিং

ট্রেডিং ব্যাকএন্ডে একটি অ্যাফিলিয়েট অ্যাকাউন্টের মুনাফা হিসাব করার প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট। রেফারকৃত প্লেয়ারদের মোট ডিপোজিট থেকে মোট উইন বা পেআউট বাদ দেওয়ার পর যে পরিমাণ নেট গেমিং রেভিনিউ (NGR) অবশিষ্ট থাকে, তার একটি নির্দিষ্ট শতাংশ অ্যাফিলিয়েটের অ্যাকাউন্টে জমা হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনার রেফার করা ১০০ জন অ্যাক্টিভ প্লেয়ার এক মাসে মোট ৳১,৫০,০০০ টাকার বাজি ধরে এবং সব খেলা শেষে প্ল্যাটফর্মের গ্রস রেভিনিউ ৳১,২০,০০০ হয়, তবে অ্যাডমিন ফ্রি ও পেমেন্ট প্রসেসিং ফি (সাধারণত ১০-১৫%) বাদ দেওয়ার পর নেট রেভিনিউ দাঁড়ায় প্রায় ৳১,০২,০০০। যদি আপনার পার্টনারশিপ কমিশন ৩০% এ নির্ধারিত থাকে, তবে আপনার নিট মাসিক আয় হবে ৳৩০,৬০০।

অধিকাংশ সাধারণ অ্যাডভার্টাইজিং মডেলে ওয়ান-টাইম পেআউট বা সিপিএ (Cost Per Acquisition) দেওয়া হলেও আমাদের ট্রেডিং ডেস্কে লাইফটাইম রেভিনিউ শেয়ার দেওয়া হয়। এর অর্থ হলো, একজন প্লেয়ার যতদিন প্ল্যাটফর্মে ডিপোজিট করে খেলা চালিয়ে যাবেন, ততদিন তার প্রতিটি ট্রেড ও বাজির একটি নির্দিষ্ট অংশ আপনার ব্যালেন্স যুক্ত হতে থাকবে। কোনো নির্দিষ্ট মাসে প্লেয়ারদের বড় ধরণের জয়ের কারণে যদি নেগেটিভ রেভিনিউ তৈরি হয়, তবে পরবর্তী পেমেন্ট সাইকেলে তা কীভাবে অ্যাডজাস্ট করা হবে তার স্পষ্ট নিয়মাবলী ড্যাশবোর্ডে উল্লেখ থাকে।

বাংলাদেশি মার্কেটারদের জন্য কার্যকরী ট্রাফিক চ্যানেল নির্ধারণ

বাংলাদেশি প্লেয়ারদের আকর্ষণ করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু সোশ্যাল মিডিয়া এবং কমিউনিটি চ্যানেল অত্যন্ত কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। বিশেষ করে টেলিগ্রাম চ্যানেল, ফেসবুক সিগন্যাল গ্রুপ, ইউটিউব ক্র্যাশ গেম প্রেডিকশন ভিডিও এবং স্থানীয় স্পোর্টস নিউজের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এসইও ব্লগগুলোর কনভার্সন রেট অনেক বেশি। প্লেয়াররা যখন কোনো বিশ্বাসযোগ্য চ্যানেল থেকে প্রমোশনাল কোড বা রেফারেল লিংক পায়, তখন তাদের সাইন-আপ এবং ডিপোজিট করার সম্ভাবনা ৫০%-৭০% পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

সফল পার্টনাররা সাধারণত ট্রাফিককে সরাসরি ল্যান্ডিং পেজে না পাঠিয়ে প্রথমে নিজেদের প্রমোশনাল কমিউনিটিতে যুক্ত করেন। সেখানে লাইভ স্পোর্টস অ্যানালাইসিস, ক্র্যাশ গেমের টিপস এবং বোনাস অফারের সঠিক তথ্য প্রদান করে প্লেয়ারদের এনগেজমেন্ট বাড়ানো হয়। এর ফলে শুধু প্রথম ডিপোজিট (FTD) বৃদ্ধি পায় না, বরং প্লেয়ারদের রিটেনশন রেটও বহুগুণ বেড়ে যায়।

ট্রাফিক চ্যানেল গড় কনভার্সন রেট (%) প্লেয়ার রিটেনশন (৩ মাস) প্রধান আকর্ষণ পদ্ধতি
টেলিগ্রাম সিগন্যাল গ্রুপ ৮.৫% – ১২.০% উচ্চ (৬০%) লাইভ ক্রিকেট বেটিং টিপস ও প্রেডিকশন
ফেসবুক অর্গানিক/গ্রুপ ৪.০% – ৬.৫% মধ্যম (৪০%) স্পেশাল ওয়েলকাম বোনাস প্রচার
এসইও ওয়েবসাইট/রিভিউ ১০.০% – ১৫.০% খুব উচ্চ (৭৫%) সঠিক রিভিউ ও ক্যাসিনো স্ট্র্যাটেজি
ইউটিউব শর্টস/ভিডিও ৩.৫% – ৫.৫% কম (৩০%) লাইভ গেমপ্লে এবং বিগেস্ট উইন ক্লিপস

নিবন্ধন প্রক্রিয়া এবং অ্যাকাউন্ট অ্যাক্টিভেশনের ধাপে ধাপে নির্দেশনা

একটি প্রফেশনাল পার্টনারশিপ অ্যাকাউন্টের অনুমোদন পাওয়া অত্যন্ত সহজ, তবে কিছু নির্দিষ্ট নিরাপত্তা নিয়ম মেনে চলা বাধ্যতামূলক। সাইন-আপ আবেদন জমা দেওয়ার পর আমাদের পার্টনারশিপ রিভিউ টিম সাধারণত ট্রাফিক সোর্স এবং প্রমোশনাল পদ্ধতির বৈধতা যাচাই করে। আপনি যদি সঠিক উপায়ে একটি অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম সাইন আপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন, তবে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আপনার ড্যাশবোর্ড সম্পূর্ণ সক্রিয় হয়ে যাবে। সঠিক তথ্য প্রদান না করলে বা ভুল ট্রাফিক সোর্স উল্লেখ করলে আবেদন স্থগিত হতে পারে।

ফর্ম পূরণ, কেওয়াইসি (KYC) যাচাইকরণ এবং পার্সোনাল ডাটা কনফার্মেশন

নিবন্ধন ফর্মে আবেদনকারীর পূর্ণ নাম, প্রফেশনাল ইমেইল ঠিকানা, যোগাযোগ নম্বর এবং পছন্দের পেমেন্ট মেথড সঠিকভাবে প্রদান করতে হয়। পরবর্তীতে পেমেন্ট উত্তোলনের সময় কোনো জটিলতা এড়াতে ফর্মে দেওয়া নাম ও কেওয়াইসি নথির তথ্য হুবহু এক হওয়া আবশ্যক। আমাদের কমপ্লায়েন্স টিম আন্তর্জাতিক এআইটি (Anti-Money Laundering) এবং কেওয়াইসি নীতি অনুসরণ করে প্রতিটি আবেদন যাচাই করে থাকে, যাতে কোনো জালিয়াতি বা ফেক অ্যাকাউন্ট সিস্টেমকে প্রভাবিত করতে না পারে।

নিবন্ধন ফর্মে পেমেন্ট ডিটেইলস হিসেবে আপনার ব্যবহৃত বিকাশ, নগদ বা ক্রিপ্টো ওয়ালেট ঠিকানা সতর্কতার সাথে উল্লেখ করতে হবে। ভুল মোবাইল ওয়ালেট নম্বর বা ট্রানজ্যাকশন আইডি প্রদান করলে পেমেন্ট প্রসেসিং বিলম্বিত হতে পারে। ড্যাশবোর্ডে প্রবেশের সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) চালু করার পরামর্শ দেওয়া হয়, যা আপনার অর্জিত কমিশনের নিরাপত্তা শতভাগ সুনিশ্চিত করে।

প্রথম সাবমিশনে প্রত্যাখ্যান এড়ানোর জন্য ট্রাফিক উৎসের সঠিক বিবরণ

আবেদন ফর্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো আপনার প্রমোশনাল পদ্ধতির সঠিক বিবরণ প্রদান করা। অনেক শিক্ষানবিস মার্কেটার প্রমোশনাল চ্যানেল ফিল্ডে ভুল বা অস্পষ্ট লিংক প্রদান করার কারণে তাদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনার একটি টেলিগ্রাম গ্রুপ থাকে, তবে গ্রুপের পাবলিক ইউজারনেম এবং সদস্য সংখ্যা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। একইভাবে ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে ইউআরএল (URL) এবং মাসিক ট্রাফিকের আনুমানিক তথ্য প্রদান করা প্রয়োজন।

কোনো প্রকার স্প্যামিং, ইমেইল ব্ল্যাস্টিং বা বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ট্রাফিক ড্রাইভ করার পরিকল্পনা থাকলে তা আগেই বাতিল করা হয়। আমাদের ট্রেডিং কমপ্লায়েন্স টিম শুধুমাত্র অর্গানিক এবং স্বচ্ছ মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি অনুমোদন করে। আবেদনে আপনার পূর্ব অভিজ্ঞতা এবং কীভাবে প্লেয়ার এক্যুইজিশন করবেন তার সংক্ষেপ ধারণা দিলে প্রথম বারেই অ্যাপ্রুভাল পাওয়ার সম্ভাবনা ৯৯% বৃদ্ধি পায়।

  1. অফিসিয়াল পার্টনারশিপ পোর্টাল ওপেন করুন এবং ‘Register’ বাটনে ক্লিক করুন।
  2. ব্যক্তিগত তথ্য (নাম, ইমেইল, স্কাইপ/টেলিগ্রাম ইউজারনেম) প্রদান করুন।
  3. আপনার ট্রাফিক সোর্সের বিবরণ (ওয়েবসাইট ইউআরএল, সোশ্যাল মিডিয়া পেজ লিংক) যুক্ত করুন।
  4. কমিশন উত্তোলনের জন্য স্থানীয় মেথড (বিকাশ, নগদ, বা USDT) সিলেক্ট করুন।
  5. আবেদন সাবমিট করে মেইল কনফার্মেশন চেক করুন এবং রিভিউ পিরিয়ডের জন্য অপেক্ষা করুন।

TK1971 অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে কমিশন পেতে দ্রুত পেমেন্ট সিস্টেম

TK1971 অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে কমিশন পেতে দ্রুত পেমেন্ট সিস্টেম

রেভিনিউ শেয়ার কমিশন মডেলের বিস্তারিত বিশ্লেষণ এবং পেআউট স্ট্রাকচার

পার্টনারদের দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক সাফল্য নিশ্চিত করতে কমিশন মডেলে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়। প্রচলিত অনেক গেমিং সাইট জটিল শর্ত যুক্ত করে কমিশন কমিয়ে দিলেও, আমাদের ট্রেডিং আর্কিটেকচার প্রতিটি বাজির হিসাব সরাসরি ড্যাশবোর্ডে প্রদর্শন করে। রেভিনিউ শেয়ারের পরিমাণ নির্ভর করে মূলত রেফার করা প্লেয়ারদের পারফর্মেন্স এবং সক্রিয়তার ওপর। প্রাথমিক স্তর থেকে শুরু করে ভিআইপি পার্টনারশিপ লেভেল পর্যন্ত কমিশন রেট ২৫% থেকে বাড়িয়ে ৫০% পর্যন্ত উন্নীত করা সম্ভব।

গ্রস গেমিং রেভিনিউ (GGR) বনাম নেট গেমিং রেভিনিউ (NGR) হিসাব পদ্ধতি

পার্টনারশিপ মার্কেটে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তি তৈরি হয় GGR এবং NGR হিসাবের সময়। গ্রস গেমিং রেভিনিউ (GGR) হলো প্লেয়ারদের মোট বাজির পরিমাণ থেকে তাদের বিজিত অর্থের বিয়োগফল। কিন্তু প্ল্যাটফর্ম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সার্ভিস ফি, গেম প্রোভাইডার রয়্যালটি, বোনাস কস্ট এবং পেমেন্ট গেটওয়ে চার্জ বাদ দেওয়ার পর যা অবশিষ্ট থাকে, তাকে নেট গেমিং রেভিনিউ (NGR) বলা হয়। আপনার কমিশন সর্বদা এই NGR-এর ওপর ভিত্তি করেই গাণিতিকভাবে নির্ধারিত হয়।

ধরা যাক, একজন প্লেয়ার মোট ৳৫০,০০০ ডিপোজিট করে ৳৩০,০০০ জয়লাভ করলো। এক্ষেত্রে GGR হলো ৳২০,০০০। এখন যদি প্ল্যাটফর্মের মোট অপারেটিং ও বোনাস খরচ ১২% (৳২,৪০০) হয়, তবে NGR হবে ৳১৭,৬০০। আপনার কমিশন রেট ৪০% হলে সেই প্লেয়ারের বিপরীতে আপনি পাবেন ৳৭,০৪০। এই সম্পূর্ণ গাণিতিক রূপান্তরটি ড্যাশবোর্ডে অটোমেটিক রিয়েল-টাইমে আপডেট হয়, যা একজন মার্কেটার হিসেবে আপনাকে শতভাগ সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা দেয়।

প্লেয়ার রিটেনশন এবং লাইফটাইম ভ্যালু (LTV) বাড়ানোর কৌশল

কেবল নতুন প্লেয়ার সাইন-আপ করানোই একজন সফল পার্টনারের একমাত্র কাজ নয়; আসল মুনাফা আসে প্লেয়ারদের ধরে রাখার মাধ্যমে। প্লেয়ারের লাইফটাইম ভ্যালু (LTV) বাড়ানোর জন্য আপনাকে তাদের নিয়মিত নতুন নতুন ইভেন্ট, টুর্নামেন্ট এবং ডিপোজিট অফার সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, আইপিএল বা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় বিশেষ ডিপোজিট বোনাস প্রমোট করলে পুরোনো নিষ্ক্রিয় প্লেয়াররাও পুনরায় ডিপোজিট করে খেলা শুরু করে।

এছাড়া আপনার রেফারেল ট্রাফিককে সঠিক বেটিং ম্যানেজমেন্ট টিপস প্রদান করা উচিত। প্লেয়াররা যখন দায়িত্বশীলভাবে খেলতে শেখে এবং প্ল্যাটফর্মে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকে, তখন আপনার মাসিক রেভিনিউ স্ট্রিম দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল থাকে। ট্রেডিং সেন্টারে নিয়মিত প্লেয়ার বিহেভিয়ার অ্যানালিটিক্স দেখে আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন কোন ধরনের গেম (যেমন: ক্রিকেট স্পোর্টসবুক বনাম লাইভ ক্যাসিনো) আপনার সাবস্ক্রাইবারদের বেশি আকর্ষণ করছে।

কমিশন টায়ার মাসিক এনজিআর (NGR Threshold) অ্যাক্টিভ প্লেয়ার সংখ্যা কমিশন শতাংশ (%)
ব্রোঞ্জ (Bronze) ৳১ – ৳১,০০,০০০ ১ – ৫ জন ২৫%
সিলভার (Silver) ৳১,০০,০১ – ৳৩,০০,০০০ ৬ – ১৫ জন ৩০%
গোল্ড (Gold) ৳৩,০০,০০১ – ৳১০,০০,০০০ ১৬ – ৫০ জন ৪০%
ভিআইপি (VIP Master) ৳১০,০০,০০১+ ৫০+ জন ৫০%

রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং ড্যাশবোর্ড এবং পারফর্মেন্স রিপোর্টিং টুলস

আধুনিক ডিজিটাল বিপণনে তথ্যের নির্ভুলতা এবং তাৎক্ষণিক ট্র্যাকিংয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের সিস্টেমে ব্যবহৃত অ্যাডভান্সড ড্যাশবোর্ড আপনাকে প্রতি সেকেন্ডের ডাটা ট্র্যাকিং সুবিধা প্রদান করে। প্রমোশনাল লিংকে ক্লিক করা থেকে শুরু করে রেজিস্ট্রেশন, ফার্স্ট ডিপোজিট (FTD), মোট বাজি ধরা এবং কমিশন জেনারেট হওয়া—প্রতিটি মেট্রিক কোনো প্রকার বিলম্ব ছাড়াই ব্যাকএন্ডে আপডেট হয়। এর ফলে পার্টনাররা খুব সহজেই তাদের বিজ্ঞাপনী ক্যাম্পেইনের কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করতে পারেন।

ক্লিক-থ্রু রেট (CTR) এবং কনভার্সন ট্র্যাকিং পিক্সেল সেটআপ

ড্যাশবোর্ডের ভেতরে আপনি একাধিক রেফারেল লিংক এবং কাস্টম ট্র্যাকিং সাব-আইডি (Sub-ID) তৈরি করতে পারবেন। আপনি যদি একই সাথে ফেসবুক এবং টেলিগ্রামে বিজ্ঞাপন চালান, তবে দুটি আলাদা সাব-আইডি ব্যবহার করে দেখতে পারবেন কোন মাধ্যম থেকে বেশি কনভার্সন আসছে। অতিরিক্ত ট্র্যাকিং নিশ্চিত করতে পোস্টব্যাক ইউআরএল (Postback URL) এবং অ্যাফিলিয়েট পিক্সেল ইন্টিগ্রেশনের সুবিধা রয়েছে, যা সরাসরি আপনার থার্ড-পার্টি ট্র্যাকিং সফ্টওয়্যারের সাথে যুক্ত করা যায়।

আপনার ক্যাম্পেইনের ক্লিক-থ্রু রেট (CTR) যদি উচ্চ হয় কিন্তু কনভার্সন রেট কম থাকে, তবে বুঝতে হবে ল্যান্ডিং পেজে ট্রাফিক পাঠাতে কোথাও অসামঞ্জস্যতা রয়েছে। ট্র্যাকিং ড্যাশবোর্ড ব্যবহার করে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে বিভিন্ন সাব-আইডির পারফর্মেন্স তুলনা করা যায়, যা অপ্রয়োজনীয় এড-স্পেন্ড কমিয়ে মার্কেটিং আরও ফলপ্রসূ করতে সাহায্য করে।

প্লেয়ার অ্যাক্টিভিটি ডাটা বিশ্লেষণ করে ক্যাম্পেইন অপ্টিমাইজেশন

ড্যাশবোর্ডের ডেডিকেটেড রিপোর্ট ফিল্টারের মাধ্যমে প্রতিটি রেফার করা প্লেয়ারের গেমিং পছন্দ বিশ্লেষণ করা সম্ভব। প্লেয়াররা কি ক্রিকেট স্পোর্টসবুকে বেশি সময় ব্যয় করছে নাকি লাইভ ডিলার রুলেট ও এভিয়েটর গেমে ঝুঁকছে—তা স্পষ্টভাবে জানা যায়। এই উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে আপনি আপনার প্রমোশনাল কনটেন্ট কাস্টমাইজ করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, লাইভ ক্যাসিনো পছন্দ করা প্লেয়ারদের জন্য ক্যাসিনো রিবেট অফার প্রমোট করলে ডিপোজিট ট্রাফিক একলাফে অনেক বেড়ে যায়।

রিপোর্টিং টুলে নির্দিষ্ট সময়ভিত্তিক (যেমন: দৈনিক, সাপ্তাহিক, বা নির্দিষ্ট টুর্নামেন্ট ভিত্তিক) ডাটা এক্সপোর্ট করার ফিল্টার রয়েছে। সিএসভি (CSV) বা এক্সেল ফরম্যাটে ডাটা ডাউনলোড করে আপনি আপনার মার্কেটিং টিম বা সহকর্মীদের সাথে বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনা করতে পারবেন, যা পরবর্তী ক্যাম্পেইন ডিজাইন করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

  • রিয়েল-টাইম সাব-আইডি ট্র্যাকিং: প্রতিটি সামাজিক মাধ্যম বা প্ল্যাটফর্মের জন্য পৃথক ট্র্যাকিং লিংক।
  • পোস্টব্যাক সাপোর্ট: সার্ভার-টু-সার্ভার (S2S) ডাটা আদান-প্রদান এবং রিয়েল-টাইম নোটিফিকেশন।
  • কাস্টমাইজড রিপোর্ট ফিল্টার: নির্দিষ্ট তারিখ, দেশ, এবং পেমেন্ট স্ট্যাটাস অনুযায়ী ডাটা ফিল্টারিং।
  • প্লেয়ার ডেমোগ্রাফিক অ্যানালিটিক্স: প্লেয়ারদের প্রিয় গেম ক্যাটাগরি এবং বাজির গড় পরিমাণ পর্যবেক্ষণ।

রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং ড্যাশবোর্ড দিয়ে কমিশন মনিটরিং সহজ

রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং ড্যাশবোর্ড দিয়ে কমিশন মনিটরিং সহজ

স্থানীয় পেমেন্ট মেথড এবং কমিশন উইথড্রয়াল প্রসেসিং

বাংলাদেশি পার্টনারদের জন্য সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো স্থানীয় মুদ্রা টাকায় (BDT) এবং জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং মাধ্যমে কমিশন গ্রহণের সুবিধা। আন্তর্জাতিক অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্কগুলোতে প্রায়ই ব্যাংক ওয়্যার বা ই-ওয়ালেটের জটিলতার কারণে টাকা তুলতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আমাদের ট্রেডিং ডেস্ক স্থানীয় ফিনটেক প্রসেসিং ইকোসিস্টেমের সাথে সরাসরি সংযুক্ত, যা সময়মতো পেমেন্ট ক্লিয়ারেন্স নিশ্চিত করে।

বিকাশ, নগদ এবং রকেটের মাধ্যমে পেআউট সেন্ট্রালাইজেশন

সাপ্তাহিক বা পাক্ষিক পেমেন্ট সাইকেলে সরাসরি আপনার নিবন্ধিত বিকাশ, নগদ কিংবা রকেট অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তর করা হয়। কমিশন উত্তোলনের জন্য সর্বনিম্ন পেমেন্ট থ্রেশহোল্ড নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৳৫,০০০, যা নতুন মার্কেটারদের জন্য কাজ শুরু করাকে অত্যন্ত সহজ করে তোলে। কোনো আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার ফি বা হিডেন চার্জ না থাকায় আপনার উপার্জিত অর্থের পুরোটাই আপনার অ্যাকাউন্টে জমা হয়।

যেসব পার্টনাররা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে পেমেন্ট নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, তাদের জন্য Tether (USDT-TRC20) পেমেন্ট অপশনটি উপলব্ধ রয়েছে। ক্রিপ্টো উইথড্রয়ালের ক্ষেত্রে বড় ধরনের কমিশন পেআউট খুব দ্রুত এবং কোনো প্রকার ম্যানুয়াল ইন্টারভেনশন ছাড়াই স্যাটল করা হয়, যা আন্তর্জাতিক মানের সিকিউরিটি মানদণ্ড বজায় রাখে।

নেগেティブ ব্যালেন্স ক্যারি-ওভার নীতি এবং পেমেন্ট সাইকেল নিয়মাবলি

আইগেমিং ব্যবসায় কোনো নির্দিষ্ট মাসে প্লেয়ারদের বড় উইনিংয়ের কারণে অ্যাফিলিয়েট অ্যাকাউন্টে নেগেティブ ব্যালেন্স দেখা দিতে পারে। আমাদের ট্রেডিং ডেস্কে উন্নত ‘নো নেগেティブ ক্যারি-ওভার’ নীতি (নির্দিষ্ট শর্তাবলী সাপেক্ষে) অথবা ফেয়ার-অ্যাডজাস্টমেন্ট সুবিধা চালু রয়েছে। এর মানে হলো, এক মাসের নেগেティブ ব্যালেন্স পরবর্তী মাসের আয়ের ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ সৃষ্টি করে না, ফলে পার্টনাররা প্রতি মাস নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করার উৎসাহ পান।

পেমেন্ট প্রসেসিং সাধারণত সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে (যেমন: প্রতি সোমবার) সম্পন্ন হয়। পূর্ববর্তী সপ্তাহে অর্জিত কমিশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টেম দ্বারা ভেরিফাই হয়ে আপনার উইথড্রয়াল ওয়ালেটে যুক্ত হয়। অ্যাকাউন্টের পেআউট হিস্ট্রি অপশনে গিয়ে আপনার অতীতের সকল লেনদেনের রেকর্ড এবং স্টেটমেন্ট যেকোনো সময় ডাউনলোড করতে পারবেন।

পেমেন্ট মেথড সর্বনিম্ন উইথড্রয়াল প্রসেসিং সময় ট্রানজ্যাকশন ফি
বিকাশ (bKash) ৳৫,০০০ ২৪ – ৪৮ ঘণ্টা ০% (ফ্রি)
নগদ (Nagad) ৳৫,০০০ ২৪ – ৪৮ ঘণ্টা ০% (ফ্রি)
রকেট (Rocket) ৳৫,০০০ ২৪ – ৪৮ ঘণ্টা ০% (ফ্রি)
USDT (TRC-20) $১০০ (সমপরিমাণ) ১২ – ২৪ ঘণ্টা নেটওয়ার্ক ফি প্রযোজ্য

ট্রাফিক জেনারেশন স্ট্র্যাটেজি: সোশ্যাল মিডিয়া এবং অর্গানিক সার্চ

একজন সফল পার্টনার হওয়ার মূল চাবিকাঠি হলো মানসম্মত ও টার্গেটেড ট্রাফিক জেনারেট করার ক্ষমতা। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর অ্যালগরিদম প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে, তাই ট্রাফিক আকর্ষণের কৌশলেও উদ্ভাবন আনতে হয়। কেবল সাধারণ বিজ্ঞাপন বা লিংক শেয়ারিং না করে প্লেয়ারদের শিক্ষণীয় ও বিনোদনমূলক কনটেন্ট প্রদান করাই প্রফেশনাল মার্কেটারদের কৌশল।

ফেসবুক গ্রুপ এবং টেলিগ্রাম চ্যানেলে টার্গেটেড প্লেয়ার আকর্ষণ

বাংলাদেশে ক্রিকেট ম্যাচের সময় টেলিগ্রাম ও ফেসবুক কমিউনিটিগুলোতে বিশাল ট্রাফিক সক্রিয় থাকে। বিপিএল (BPL), আইপিএল (IPL) বা আন্তর্জাতিক সিরিজের ম্যাচ চলাকালীন লাইভ ম্যাচ অ্যানালাইসিস এবং সম্ভাব্য টিপস শেয়ার করে টেলিগ্রাম চ্যানেলে হাজার হাজার সদস্য যুক্ত করা সম্ভব। যখন প্লেয়াররা আপনার সঠিক প্রেডিকশন এবং টিপস দেখে উপকৃত হবে, তখন আপনার শেয়ার করা স্পোর্টসবুক রেফারেল লিংকে ক্লিক করে ডিপোজিট করার হার বহুগুণ বেড়ে যাবে।

ফেসবুক পেজ বা গ্রুপের ক্ষেত্রে সরাসরি বেটিং লিংক পোস্ট না করে প্রথমে কোনো ল্যান্ডিং পেজ বা শর্ট কনটেন্টের মাধ্যমে ইউজারদের এনগেজ করা ভালো। এতে অ্যাকাউন্টের অর্গানিক রিচ বজায় থাকে এবং অ্যাড স্প্যামিংয়ের ঝুঁকি দূর হয়। সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপে কাস্টমার সার্ভিস ও দ্রুত ডিপোজিট-উইথড্রয়ালের সুবিধাসমূহ নিয়মিত তুলে ধরলে ট্রাস্ট লেভেল বৃদ্ধি পায়।

এসইও (SEO) ব্লগিং এবং অনলাইন স্পোর্টসবুক কিওয়ার্ড র্যাঙ্কিং

অর্গানিক সার্চ ট্রাফিক হলো যেকোনো গেমিং প্ল্যাটফর্মের জন্য সবচেয়ে মূল্যবান ট্রাফিক, কারণ সার্চ করা ইউজাররা আগে থেকেই গেম খেলতে আগ্রহী থাকে। আপনি যদি একটি ওয়ার্ডপ্রেস বা কাস্টম ওয়েবসাইটে বিভিন্ন গেমের রিভিউ, প্লেয়িং গাইডলাইন এবং পেমেন্ট পদ্ধতির ওপর বাংলায় বিস্তারিত টিউটোরিয়াল তৈরি করেন, তবে সার্চ ইঞ্জিন থেকে সরাসরি হাই-কনভার্টিং প্লেয়ার পাওয়া সম্ভব।

“বাংলাদেশে সেরা অনলাইন ক্যাসিনো”, “ক্রিকেট বেটিং টিপস”, বা “সহজে টাকা তোলার স্পোর্টসবুক”—এই ধরনের লং-টেইল কিওয়ার্ড টার্গেট করে কনটেন্ট তৈরি করলে প্রতিযোগিতার বাইরে থেকে দ্রুত গুগলের প্রথম পেজে র্যাংক করা যায়। এসইও ওয়েবসাইটের ট্রাফিক থেকে আসা প্লেয়ারদের রিটেনশন রেট সোশ্যাল মিডিয়ার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়।

  1. নির্দিষ্ট একটি নিশ (যেমন: কেবল ক্রিকেট স্পোর্টসবুক বা এভিয়েটর ক্র্যাশ গেম) নির্বাচন করুন।
  2. এসইও ফ্রেন্ডলি ব্লগ ওয়েবসাইট অথবা একটি ডেডিকেটেড টেলিগ্রাম চ্যানেল তৈরি করুন।
  3. নিয়মিত মানসম্মত ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্যভিত্তিক কনটেন্ট ও গাইডলাইন প্রকাশ করুন।
  4. বিশেষ টুর্নামেন্টের পূর্বে হাই-কনভার্টিং ল্যান্ডিং পেজে রেফারেল লিংক প্লেস করুন।
  5. কনভার্সন ডাটা ট্র্যাক করে অকার্যকর কনটেন্ট টিউন বা আপডেট করুন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং টিম থেকে পেশাদার সহায়তা পাওয়া যায়

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং টিম থেকে পেশাদার সহায়তা পাওয়া যায়

সাব-অ্যাফিলিয়েট 네트워크 এবং মাস্টার অ্যাফিলিয়েট কমিশন

আপনার আয়ের সম্ভাবনা কেবল নিজের আনীত প্লেয়ারদের ওপর সীমাবদ্ধ নয়; আমাদের মাল্টি-টিয়ার পার্টনারশিপ কাঠামোর মাধ্যমে আপনি অন্যান্য মার্কেটারদের রেফার করেও উপার্জনের নতুন ধারা তৈরি করতে পারেন। একে ‘সাব-অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম’ বা সেকেন্ড-টিয়ার কমিশন সিস্টেম বলা হয়। নেটওয়ার্ক মার্কেটিংয়ের এই মডেলটি আপনাকে একটি বিস্তৃত মার্কেটিং এজেন্সির মতো আয় করার সুযোগ করে দেয়।

সেকেন্ড-টিয়ার পার্টনার রিক্রুটমেন্টের গাণিতিক কাঠামো

আপনি যখন কোনো নতুন ডিজিটাল মার্কেটার বা আপনার পরিচিত সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারকে আপনার সাব-অ্যাফিলিয়েট লিংক দিয়ে সাইন-আপ করাবেন, তখন তিনি হয়ে উঠবেন আপনার টিয়ার-২ পার্টনার। আপনার সাব-অ্যাফিলিয়েট যে পরিমাণ নিট কমিশন উপার্জন করবেন, তার একটি নির্দিষ্ট শতাংশ (সাধারণত ৫% থেকে ১০%) আপনার অ্যাকাউন্টে ওভাররাইড কমিশন হিসেবে যোগ হবে। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই অর্থ আপনার সাব-অ্যাফিলিয়েটের উপার্জন থেকে কাটা হয় না, বরং প্ল্যাটফর্ম থেকে বোনাস হিসেবে প্রদান করা হয়।

ধরা যাক, আপনি ৫ জন দক্ষ সাব-অ্যাফিলিয়েট রিক্রুট করেছেন এবং তারা সবাই মিলে এক মাসে ৳১০,০০,০০০ টাকা নেট কমিশন অর্জন করেছেন। আপনার ওভাররাইড কমিশন ৫% হলে, আপনি কোনো সরাসরি প্লেয়ার পরিচালনা না করেও অতিরিক্ত ৳৫০,০০০ লাভ করবেন। এই সেকেন্ড-টিয়ার ইনকাম আপনার সরাসরি প্লেয়ার কমিশন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এবং প্যাসিভ ইনকামের চমৎকার একটি উদাহরণ।

সাব-অ্যাফিলিয়েট পারফর্মেন্স ম্যানেজমেন্ট এবং পেআউট ট্র্যাকিং

আপনার ড্যাশবোর্ডের ভেতরে একটি আলাদা সাব-অ্যাফিলিয়েট ম্যানেজমেন্ট সেকশন দেওয়া থাকে। সেখান থেকে আপনি দেখতে পারবেন আপনার আন্ডারে কতজন পার্টনার যুক্ত হয়েছেন এবং তাদের সামগ্রিক পারফর্মেন্স কেমন। কোন সাব-অ্যাফিলিয়েটের প্লেয়ার কনভার্সন ভালো এবং কার গাইডেন্স প্রয়োজন—তা ডাটা দেখে চিহ্নিত করা সম্ভব।

আপনার অধীনস্থ পার্টনারদের সঠিকভাবে প্রশিক্ষিত করতে তাদের আমাদের ট্রেডিং মেটেরিয়াল, ব্যানার এবং মার্কেটিং টিপস শেয়ার করতে পারেন। তারা যত বেশি সফল হবে, আপনার মাস্টার অ্যাফিলিয়েট কমিশন তত দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। একটি শক্তিশালী সাব-অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারলে আপনার আয় সময় ও পরিশ্রমের সীমানা ছাড়িয়ে স্কেল করতে সক্ষম হয়।

পার্টনারশিপ স্তর উৎসের ধরণ কমিশন টাইপ আনুমানিক উপার্জনের হার
টিয়ার-১ (সরাসরি পার্টনার) আপনার সরাসরি প্লেয়ার ট্রাফিক NGR রেভিনিউ শেয়ার ২৫% – ৫০% (প্লেয়ার লস)
টিয়ার-২ (সাব-অ্যাফিলিয়েট) আপনার রেফার করা মার্কেটাররা ওভাররাইড বোনাস ৫% – ১০% (তাদের কমিশনের ওপর)
ভিআইপি মাস্টার পার্টনার এজেন্সি বা বড় নেটওয়ার্ক কাস্টমাইজড B2B ডিল আলোচনা সাপেক্ষে হাই-মার্জিন

বাংলাদেশে গেমিং ও স্পোর্টসবুক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের আইনি নিরাপত্তা ও প্রোটোকল

অনলাইন গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে সফল ও দীর্ঘস্থায়ী ব্যবসার ভিত্তি হলো আইনি সচেতনতা ও ডাটা নিরাপত্তা। বাংলাদেশে বেটিং ও গেমিং সংক্রান্ত নিয়মকানুন অনুধাবন করে প্রফেশনাল উপায়ে প্রমোশন চালানো জরুরি। আপনার ব্র্যান্ড ইমেজ রক্ষা এবং প্ল্যাটফর্মের সাথে বিশ্বস্ত সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে আমাদের সিকিউরিটি প্রোটোকল কঠোরভাবে মেনে চলতে হয়।

প্লেয়ার ডাটা প্রোটেকশন এবং এআই-চালিত ফ্রড ডিটেকশন ড্যাশবোর্ড

ইউজার ডাটা সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক এনক্রিপশন প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। অ্যাফিলিয়েট হিসেবে আপনি কখনোই আপনার রেফার করা প্লেয়ারদের গোপনীয় ব্যক্তিগত তথ্য (যেমন: পাসওয়ার্ড বা ব্যাংকিং পিন) দেখতে পাবেন না; ড্যাশবোর্ডে শুধুমাত্র সিস্টেমে তৈরি প্লেয়ার আইডি এবং তাদের ট্রেডিং অ্যাক্টিভিটি দৃশ্যমান থাকে। এটি ইউজারদের শতভাগ গোপনীয়তা সুনিশ্চিত করে।

আমাদের ব্যাকএন্ড ব্যাকগ্রাউন্ডে প্রতিনিয়ত একটি এআই-চালিত ফ্রড ডিটেকশন অ্যালগরিদম পরিচালিত হয়। কোনো অ্যাফিলিয়েট যদি স্বয়ং নিজের রেফারেল লিংকে ফেক অ্যাকাউন্ট খুলে বোনাস অ্যাবিউজ বা সেলফ-রেফারেল করার চেষ্টা করেন, তবে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই আইপি (IP) এবং ডিভাইস আইডি ফ্ল্যাগ করে ফেলে। প্রফেশনাল পার্টনারদের সুরক্ষার স্বার্থেই এমন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

মাল্টিপল অ্যাকাউন্ট অ্যাবিউজ প্রতিরোধ ও সিকিউরিটি প্রোটোকল

একটি নেটওয়ার্কে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতিটি পার্টনারের জন্য কেবল একটি প্রফেশনাল অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করার অনুমতি রয়েছে। একাধিক ছদ্মবেশী অ্যাকাউন্ট তৈরি করে সিস্টেমের ফ্রি ট্রাফিক বা প্রমোশনাল বোনাস অপব্যবহার করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। যদি কোনো পার্টনার অনৈতিক উপায়ে পপ-আন্ডার এড বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে ট্রাফিক আনেন, তবে তার কমিশন বাতিলসহ অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে স্থগিত করা হতে পারে।

সুরক্ষিত মার্কেটিং অনুশীলনের অংশ হিসেবে পার্টনারদের সর্বদা দায়িত্বশীল গেমিং (Responsible Gaming) সংক্রান্ত সচেতনতা বার্তা প্রচার করার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্লেয়ারদের সত্য তথ্য প্রদান করা এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের এই প্ল্যাটফর্ম থেকে দূরে রাখা প্রতিজন প্রফেশনাল মার্কেটার নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

  • নো সেলফ-রেফারেল পলিসি: নিজের রেফারেল লিংকে নিজের অ্যাকাউন্ট খোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
  • স্বচ্ছ প্রচার নীতি: বোনাস ও ডিপোজিট শর্তাবলী প্লেয়ারদের কাছে নির্ভুলভাবে উপস্থাপন করা।
  • আইপি ট্র্যাকিং ও ডিভাইসবাইন্ডিং: একই আইপি থেকে একাধিক স্প্যাম অ্যাকাউন্ট শনাক্তকরণ।
  • প্রফেশনাল ব্যাকএন্ড কমপ্লায়েন্স: নিয়মিত অ্যাকাউন্ট রিভিউ এবং সিকিউরিটি চেক প্রক্রিয়া।

প্রমোশনাল ব্যানার, ল্যান্ডিং পেজ এবং এক্সক্লুসিভ বোনাস ক্রিয়েটিভস

হাই-কনভার্টিং প্রমোশনাল ক্রিয়েটিভস ছাড়া কোনো মার্কেটিং ক্যাম্পেইনেই প্রত্যাশিত ফলাফল পাওয়া সম্ভব নয়। পার্টনারদের সুবিধার্থে আমাদের ডিজাইন টিম প্রতিনিয়ত আন্তর্জাতিক মানের ব্যানার, জিআইএফ (GIF) ক্রিয়েটিভ এবং কাস্টমাইজড ল্যান্ডিং পেজ তৈরি করে থাকে। ড্যাশবোর্ডের ‘Media Gallery’ সেকশন থেকে আপনি আপনার টার্গেটেড ডিভাইসের সাইজ অনুযায়ী যেকোনো সাইজের ব্যানার ডাউনলোড করে ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।

কাস্টমাইজড রেফারেল লিংক এবং ডিপ-লিংকিং স্ট্র্যাটেজি

সাধারণ রেফারেল লিংক ইউজারকে হোমপেজে নিয়ে যায়, যার ফলে অনেক সময় কনভার্সন রেট কমে যায়। কিন্তু আমাদের সিস্টেমে রয়েছে ‘ডিপ-লিংকিং’ প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে আপনি ইউজারকে সরাসরি নির্দিষ্ট কোনো ক্রিকেট ম্যাচের বেটিং মার্কেট, লাইভ ক্যাসিনো টেবিল, অথবা ক্র্যাশ গেমের ল্যান্ডিং পেজে রিডাইরেক্ট করতে পারবেন।

উদাহরণস্বরূপ, কোনো ভারত বনাম বাংলাদেশ ক্রিকেট ম্যাচের দিনে যদি আপনি সরাসরি সেই ম্যাচের ওডস (Odds) পেজের ডিপ-লিংক ব্যবহার করেন, তবে স্পোর্টস প্রেমীরা এক ক্লিকেই প্রাসঙ্গিক বাজির পেজে পৌঁছে যায়। সঠিক পেজে সরাসরি নিয়ে যাওয়ার এই প্রক্রিয়ার ফলে কনভার্সন রেট ২৫% পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়।

প্লেয়ার এক্যুইজিশন বাড়াতে বিশেষ লাইভ ক্র্যাশ গেম প্রমোশন

সাম্প্রতিক সময়ে এভিয়েটর (Aviator) এবং বিভিন্ন লাইভ ক্র্যাশ গেম তরুণ প্রজন্মের প্লেয়ারদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এসব গেমের ফার্স্ট-টাইম প্রমোশনের জন্য আমাদের ড্যাশবোর্ডে বিশেষ ভিজ্যুয়াল ব্যানার ও প্রমোশনাল টেমপ্লেট রয়েছে। এসব হাই-স্পিড গেমগুলোর দ্রুত পেআউট এবং বড় মাল্টিপ্লায়ারের বৈশিষ্ট্যগুলো বিজ্ঞাপনে তুলে ধরলে নতুন প্লেয়ারদের আকর্ষণ করা অত্যন্ত সহজ হয়।

এছাড়া বিশেষ পার্টনারদের জন্য কাস্টমাইজড প্রমোশনাল কোড (Promo Code) বরাদ্দ করা হয়। প্লেয়াররা সাইন-আপ করার সময় আপনার দেওয়া নিজস্ব প্রমো কোডটি ব্যবহার করলে তারা বাড়তি ওয়েলকাম বোনাস পায়, যা প্লেয়ার সাইন-আপ নিশ্চিত করতে শক্তিশালী অনুঘটক হিসেবে কাজ করে।

  1. ড্যাশবোর্ডের ‘Media Center’ অপশনে প্রবেশ করে পছন্দের গেম ক্যাটাগরি বা স্পোর্টস বাছুন।
  2. আপনার ওয়েবসাইটের লেআউট বা সোশ্যাল পেজের সাইজ অনুযায়ী ব্যানার ডাইমেনশন সিলেক্ট করুন।
  3. ডিপ-লিংক অপশনে গিয়ে সরাসরি টার্গেটেড ল্যান্ডিং পেজের ইউআরএল পেস্ট করে কাস্টম লিংক তৈরি করুন।
  4. তৈরি করা HTML কোড বা ডাইরেক্ট ইমেজ লিংক নিয়ে আপনার প্রমোশনাল প্ল্যাটফর্মে এমবেড করুন।

প্রফেশনাল পার্টনারশিপ সাপোর্ট এবং ডেডিকেটেড অ্যাফিলিয়েট ম্যানেজার সার্ভিস

পার্টনারদের ব্যবসায়িক বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে আমাদের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হলো সার্বক্ষণিক প্রফেশনাল সাপোর্ট সার্ভিস। একজন সাধারণ মার্কেটার থেকে শীর্ষসারির মাস্টার অ্যাফিলিয়েট হয়ে ওঠার যাত্রায় আপনাকে প্রতিটি পদে গাইড করার জন্য ডেডিকেটেড অ্যাফিলিয়েট ম্যানেজার নিয়োগ করা হয়। স্কাইপ, টেলিগ্রাম এবং ইমেইলের মাধ্যমে আপনি যেকোনো টেকনিক্যাল বা পেমেন্ট সংক্রান্ত বিষয়ে সরাসরি যোগাযোগের সুবিধা পাবেন।

অ্যাফিলিয়েট ম্যানেজারের সাথে ওয়ান-অন-ওয়ান স্ট্র্যাটেজি সেশন

ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট ম্যানেজাররা কেবল আপনার সমস্যার সমাধানই করেন না, বরং আপনার ট্রাফিক সোর্স বিশ্লেষণ করে কীভাবে আয় দ্বিগুণ করা যায় তার কাস্টমাইজড স্ট্র্যাটেজি তৈরি করে দেন। উদাহরণস্বরূপ, আপনার ফেসবুক ক্যাম্পেইনে যদি এড-রিজেকশন বেশি হয়, তবে কীভাবে কমপ্লায়েন্ট কভার পেজ ও ফ্রি-ল্যান্ডার ব্যবহার করবেন তা ম্যানেজাররা সরাসরি দেখিয়ে দেন।

আপনার মাসিক এনজিআর (NGR) বাড়ার সাথে সাথে ম্যানেজারদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে কমিশন শতাংশ পুনঃনির্ধারণ (RevShare Deal renegotiation) এবং কাস্টম প্রমোশনাল বাজেট দাবি করার সুযোগ তৈরি হয়। উচ্চ পারফর্মিং মার্কেটারদের ক্যাম্পেইন স্কেল করার জন্য প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে বিশেষ বিজ্ঞাপনী ফান্ডিং ও স্পন্সরশিপও প্রদান করা হয়ে থাকে।

বি টু বি (B2B) স্কেলিং এবং ভিআইপি প্লেয়ার এক্যুইজিশন ডিল

যেসব পার্টনারদের বৃহৎ আকারের মিডিয়া বাইয়িং নেটওয়ার্ক বা হাই-রোলার (High-Roller) প্লেয়ারদের নেটওয়ার্ক রয়েছে, তাদের জন্য বিশেষ বি টু বি (B2B) হাইব্রিড ডিল ডিজাইন করা যায়। হাইব্রিড ডিলে একই সাথে সিপিএ (CPA) এবং রেভিনিউ শেয়ার কমিশন যুক্ত থাকে, যা প্রাথমিক ক্যাশ-ফ্লো ঠিক রাখার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী মুনাফাও নিশ্চিত করে।

বড় ট্রেডার ও প্রফেশনাল পার্টনারদের জন্য বিশেষ ভিআইপি পেআউট ট্র্যাকিং, দ্রুত পেমেন্ট প্রসেসিং এবং এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট আয়োজনের ব্যবস্থা রয়েছে। একটি টেকসই অনলাইন মার্কেটিং ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করতে আমাদের বিশ্বমানের ব্যাকএন্ড প্রযুক্তি এবং ডেডিকেটেড সাপোর্ট টিম সর্বদা আপনাকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেয়।

পার্টনারশিপ টায়ার সাপোর্ট সার্ভিস লেভেল কাস্টম ক্রিয়েটিভ সুবিধা পেআউট ফ্রিকোয়েন্সি
স্ট্যান্ডার্ড পার্টনার সাধারণ টিকেট ও ইমেইল সাপোর্ট স্ট্যান্ডার্ড মিডিয়া লাইব্রেরি পাক্ষিক/মাসিক
অ্যাডভান্সড পার্টনার টেলিগ্রাম ১-অন-১ ম্যানেজার কাস্টমাইজড ব্যানার সাপোর্ট সাপ্তাহিক (প্রতি সোমবার)
ভিআইপি/বিটুবি পার্টনার ২৪/৭ ডেডিকেটেড ম্যানেজার ও সিএসএম এক্সক্লুসিভ ভিডিও ও ল্যান্ডিং পেজ অন-ডিমান্ড/দৈনিক (আলোচনা সাপেক্ষে)